1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. mosharraf1419@gmail.com : peoplesvoicebd :
October 1, 2026, 4:20 am
শিরোনামঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় ওসির নামে শেখ হাসিনার জন্মদিনের কেক: তোলপাড়, নেপথ্যে কারা খুঁজছে পুলিশ বাঞ্ছারামপুর শিক্ষা অফিসারের রুম যদি ভাঙ্গাচোরা ফ্যান পড়ে আহত হয়, ১৩৯ টা স্কুলের অবস্থা কি? প্রশ্ন সচেতন মহলের ব্রাহ্মণবাড়িয়া আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১ বাঞ্ছারামপুরে ব্লু বার্ড কিন্ডারগার্টেনে আগুন: ফায়ার সার্ভিস ও যুবদল নেতার সাহসিকতায় বড় ক্ষয়ক্ষতি রোধ বাঞ্ছারামপুর তিতাস নদী থেকে মুকবুলের মরদেহ উদ্ধার, হাত-পা বাঁধা ছিল লোহার এঙ্গেল বিশ্ব নদী দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে তরী বাংলাদেশ এর বর্ণাঢ্য নৌ র‌্যালি অনুষ্ঠিত ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগে নতুন দিগন্ত, বাঞ্ছারামপুরে ঐতিহাসিক সড়কের উদ্বোধন করলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী “সাকি” বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাবের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন, সাংবাদিকদের ঐক্যের আহ্বান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী সাকি বাঞ্ছারামপুরে দুর্গারামপুর ঘরোয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত বাঞ্ছারামপুর সরকারি হাসপাতালকে সোলার প্যানেল উপহার দিল প্রাইভেট হাসপাতাল

গাইবান্ধা টিটিসিতে ৩ দিনের পিডি প্রশিক্ষণে অতিরিক্ত ভর্তি ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে কম্পিউটার অপারেটর জয়ন্ত রায়ের বিরুদ্ধে

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, August 5, 2026
  • 197 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক | গাইবান্ধা গাইবান্ধা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-তে তিন দিনের প্রি-ডিপার্চার (পিডি) প্রশিক্ষণে অংশ নিতে আসা প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে সরকারি নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং ভর্তি কার্যক্রম বহিরাগত কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের তীর কেন্দ্রটির কম্পিউটার অপারেটর জয়ন্ত রায়ের দিকে। অভিযোগকারী কয়েকজন প্রশিক্ষণার্থী জানান, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পিডি প্রশিক্ষণের ভর্তি ফি ২০০ টাকা হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। কারও কাছ থেকে আরও বেশি অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। কাতারগামী এক প্রবাসী, নাম প্রকাশ না করার শর্তে, বলেন, “এখানে যার কাছ থেকে যেমন পারছে, তেমনভাবে টাকা নেওয়া হচ্ছে। আমাদের বলা হয় বাইরে নির্দিষ্ট কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে ভর্তি হতে।

সেখানে বলা হয়, জয়ন্ত স্যারের কথা আছে। এরপর ৬০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়।” সৌদি আরবগামী আরেক প্রশিক্ষণার্থী বলেন, “আমরা ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে ভালো জানি না। স্যাররা যেভাবে নির্দেশ দেন, সেভাবেই করি। পরে বুঝতে পারি, সরকারি ফি থেকে বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে।” এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, প্রশিক্ষণার্থীদের সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী কলম ও খাতা দেওয়ার কথা থাকলেও অনেকেই তা পাননি। এতে এসব সামগ্রী বাবদ বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। জানা গেছে, জয়ন্ত রায় ২০২৪ সালের ২০ মার্চ ১৩তম গ্রেডে গাইবান্ধা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন কৌশলে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করে আসছেন ভুক্তভোগীরা। প্রশিক্ষণার্থীরা বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Themes By ShimantoIT.com