1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. mosharraf1419@gmail.com : peoplesvoicebd :
July 29, 2026, 9:42 pm
শিরোনামঃ
সেচ মোটরের প্রলোভনে টাকা ও চেক নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, সাদুল্লাপুরে কথিত সাংবাদিক শাহীনের বিরুদ্ধে কৃষকের সংবাদ সম্মেলন কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ে আস্থা বাড়াতে মাসব্যাপী ‘ইসলামী ব্যাংক’ এর গ্রাহকসেবা কার্যক্রম মাদকবিরোধী অভিযানে কসবায় ৩২ কেজি গাঁজাসহ চারজন আটক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নতুন অঙ্গীকার : ACMO-এর কেন্দ্রীয় বোর্ড ও বিভাগীয় নেতৃত্ব ঘোষণা বাঞ্ছারামপুর স্পিডবোটে তিন বছরের শিশুর ভাড়া নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ১, আহত ১ বাঞ্ছারামপুরে চাঁদা না পেয়ে ইতালি প্রবাসীকে অপহরণের চেষ্টা, তথ্য সংগ্রহে গেলে সাংবাদিকদের হুমকি বাঞ্ছারামপুরে অভিযোগ বক্স স্থাপন করলেন “প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি” বাঞ্ছারামপুরে বিদেশি মদসহ মাদক কারবারি আটক প্রকৃত তথ্য উপস্থাপন ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সেচ মোটরের প্রলোভনে টাকা ও চেক নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, সাদুল্লাপুরে কথিত সাংবাদিক শাহীনের বিরুদ্ধে কৃষকের সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, July 30, 2026
  • 3 Time View

জিহাদ হক্কানী, গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) থেকে দুটি সেচ মোটর পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক কৃষকের কাছ থেকে নগদ ৮ হাজার ৩০০ টাকা, ব্যাংক হিসাব খুলিয়ে দুটি চেকের পাতা, জমির মূল দলিল, বিএস/বিআরএস পর্চা ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে ওই চেকের একটি পাতায় ৫ লাখ টাকা বসিয়ে মিথ্যা চেক ডিজঅনার মামলা করে হয়রানিরও অভিযোগ করা হয়েছে।

এসব অভিযোগ এনে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী কৃষক মো. শহিদুল ইসলাম। তিনি সাদুল্লাপুর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে।

অভিযোগের তীর উঠেছে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী মো. শাহীন মিয়ার বিরুদ্ধে। তিনি মাই টিভির সাদুল্লাপুর উপজেলা প্রতিনিধি এবং উপজেলার জয়েনপুর (তুলসীঘাট রোড) গ্রামের মৃত জসিজল হকের ছেলে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রায় পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দুটি সেচ মোটরের জন্য আবেদন করেছিলেন। তার ফুফাতো ভাই আনিছার রহমানের মাধ্যমে শাহীন মিয়ার সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে শাহীন মিয়া বিএমডিএ থেকে মোটর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রথমে তার কাছ থেকে ৮ হাজার ৩০০ টাকা নেন।

তিনি দাবি করেন, কিছুদিন পর শাহীন মিয়া জানান, মোটর বরাদ্দ নিতে হলে অফিসে দুটি ব্যাংক চেক জমা দিতে হবে। তার কোনো ব্যাংক হিসাব না থাকায় শাহীন মিয়া নিজেই অগ্রণী ব্যাংক, সাদুল্লাপুর শাখায় একটি হিসাব খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

শহিদুল ইসলামের ভাষ্য, ২০২০ সালের ৫ নভেম্বর শাহীন মিয়া তাকে সাদুল্লাপুর বাজারে ডেকে ব্যাংকে নিয়ে যান এবং একটি হিসাব খুলে দেন। হিসাব খোলার পর ব্যাংক থেকে একটি চেকবই দেওয়া হলে শাহীন মিয়া সেখান থেকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাতার দুটি চেক ছিঁড়ে নেন। এছাড়া চেকের প্রথম ও দ্বিতীয় অংশে তার কাছ থেকে টিপসইও নেওয়া হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই সময় শাহীন মিয়া তার ২৬ শতক জমির মূল দলিল, একটি জমির রেকর্ডের পর্চা এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিও নিজের কাছে রেখে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল ইসলাম আরও বলেন, তিনি অশিক্ষিত হওয়ায় সরল বিশ্বাসে টাকা, চেক, জমির কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় নথি শাহীন মিয়ার কাছে দিয়েছিলেন। কিন্তু এরপর দীর্ঘদিন ধরে নানা অজুহাত, টালবাহানা ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে তিনি ২০২০ সালের ১৭ ডিসেম্বর গাইবান্ধা জজ আদালতে প্রতারণার মামলা (নং-৩২/২১) দায়ের করেন।

তার অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর শাহীন মিয়া তার কাছ থেকে নেওয়া চেকের একটি পাতায় ৫ লাখ টাকা লিখে উল্টো সেই টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে আদালতে চেক ডিজঅনারের একটি সিআর মামলা দায়ের করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে শহিদুল ইসলামের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার প্রতিবেশী লিটন মিয়া। এ সময় তারা অভিযোগ করেন, কথিত সাংবাদিক শাহীন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছেন। তাদের দাবি, একসময় তিনি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ঘোরাফেরা করতেন। পরে সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে প্রভাব খাটিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন।

ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি একজন সহজ-সরল কৃষক। সরল বিশ্বাসে অভিযুক্তের কথায় টাকা, চেক ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন এবং উল্টো বিভিন্ন মামলায় হয়রানির মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত চাই। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নিরীহ মানুষ এ ধরনের প্রতারণার শিকার না হন।’

তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত শাহীন মিয়ার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Themes By ShimantoIT.com